ভোটার তালিকা: নাজমুল হুদার ফর্মুলা
ঢাকা, ১৬ ডিসেম্বর: সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি, বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা, বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা ভোটার তালিকা হালনাগাদ করতে নতুন ফর্মুলা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, “এ জন্য আইন সংশোধনের কোনো প্রয়োজন নেই।”
শুক্রবার এক বিবৃতিতে ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা বলেন, “ভোটার তালিকা হালনাগাদ করতে নির্বাচিত ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রমই যথেষ্ট। ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিটি ওয়ার্ডে একজন করে নির্বাচিত সদস্য রয়েছেন এবং এই নির্বাচিত সদস্যকে সভাপতি করে বিগত নির্বাচনে তার সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী পরাজিত প্রার্থীদের সদস্য করে ওয়ার্ড পর্যায়ে একটি কমিটি গঠনের মাধ্যমে সেই ওয়ার্ডের ভোটার তালিকা হালনাগাদের দায়িত্ব দেয়া যেতে পারে।”
তিনি বলেন, “সর্বসম্মতিক্রমে এই কমিটি কর্তৃক হালনাগাদকরণের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা যেতে পারে। এ লক্ষ্যে স্থানীয় সরকারের এ কার্যক্রমে বরাদ্দ অর্থ কমিটিকে দেয়া যেতে পারে।”
এ ব্যবস্থার অধীন সারাদেশে কার্যক্রম গ্রহণ করা হলে পৌর/ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিটি ওয়ার্ডের গড় দুই হাজার থেকে আড়াই হাজার ভোটারের তালিকা হালনাগাদকরণে সাত দিনের বেশি সময় লাগার কথা নয়। বললেন তিনি।
ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা নির্বাচন কমিশনকে এ ব্যবস্থার অধীন ভোটার তালিকা হালনাগাদকরণের কার্যক্রম অবিলম্বে হাতে নেয়ার পরামর্শ দেন। প্রতিটি ওয়ার্ডে নতুন ভোটার আর তালিকা থেকে বাদ পড়াদের তথ্য সংগ্রহের প্রশ্নে প্রস্তাবিত কমিটি সর্বসম্মতক্রমে নিঃসন্দেহে একটি জবাবদিহিমূলক ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করেন তিনি।
তিনি বলেন, “সারাদেশে প্রতিটি ইউনিয়নে এ কাজ হাতে নিলে সর্বোচ্চ তিন সপ্তাহের মধ্যে ভোটার তালিকা হালনাগাদ করা সম্ভব।” তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, “বর্তমান আইনে এক মাসের সময় বেঁধে দেয়া আছে। আইন সংশোধন করতে হবে কেন?”
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশনার সাখাওয়াত হোসেন ভোটার তালিকা হালনাগাদ করতে আইনে পরিবর্তন আনা হবে বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন।